প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে শ্বশুরকে হত্যা করেন আজাদ

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে কৃষক মোসলেম উদ্দীন বিশ্বাসকে (৬০) গলা কেটে হত্যা করেছে নিজের মেয়ের স্বামী আবুল কালাম আজাদ ও তার ভাতিজা হাবিবুর রহমান।

এ ঘটনায় ব্যবহৃত ছুরি ও হ্যান্ড গ্লাভস উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান সাতক্ষীরা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মোস্তাফিজুর রহমান।

প্রেসব্রিফিংয়ে পুলিশ সুপার জানান, স্থানীয় দেয়াড়া দাখিল মাদ্রাসায় সুপারের সঙ্গে শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের জাল সার্টিফিকেট নিয়ে বিরোধ চলছিল। নিহত কৃষক মোসলেম উদ্দীন বিশ্বাসের ছোট জামাতা মাদ্রাসার শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ ওই সুপারকে ফাঁসাতে নিজের শ্বশুরকে হত্যার পরিকল্পনা করে তারই ভাতিজা হাবিবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে। তারা দু’জনে প্রথমে বাড়িতে ঢুকে বালিশ চাপা দিয়ে কৃষক মোসলেম উদ্দীনকে হত্যা করে। পরে ভাতিজাকে দিয়ে জবাই করে ও মাদ্রাসা সুপারের সিল মারা ছবি একটি চেক রেখে সুপারকে জড়ানোর চেষ্টা করে।

যদিও পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে সত্য উদঘাটন করে। প্রথমে আবুল কালাম আজাদ ও পরে তার ভাতিজা হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্য মতে, নিহতের বাড়ির ৫০০ গজ দূরের একটি পুকুর থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও হ্যান্ডগ্লাভস উদ্ধার করা হয় বলে জানান তিনি।

গত ২৪ নভেম্বর দিবাগত রাতের কোনো এক সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে কৃষক মোসলেম উদ্দীন বিশ্বাসকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় কলারোয়া থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে মামলা দায়ের করেন নিহতের বড় ছেলে মুস্তাফিজুর রহমান।