বরগুনায় যুবলীগ নেতা ইউপি চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে গুরুতর জখম

বরগুনায় এক ইউপি চেয়ারম্যানকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে বরগুনার বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ী ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পরে আহতাবস্থায় তাকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।

গুরুতর জখম ওই ইউপি চেয়ারম্যানের নাম ইমাম হাসান শিপন জমাদ্দার। তিনি বরগুনার বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। গুরুতর জখম এই ইউপি চেয়ারম্যানের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান শিপনের ওপর কারা হামলা চালিয়েছে তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেননি পুলিশ ও তার পরিবারের সদস্যরা। তবে নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রতিপক্ষরা এই হামলা চালাতে পারে বলে ধারণা তাদের।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেতাগী উপজেলার সরিষামুড়ী ইউনিয়নের কালিকাবাড়ি বাজার সংলগ্ন একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে যোগদান করতে যাচ্ছিলেন ইউপি চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা ইমাম হাসান শিপন জমাদ্দার। এ সময় কালিকাবাড়ি বাজারে পৌঁছালে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার ওপর অতর্কিত হামলায় চালিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। এতে তিনি গুরুতর জখম হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মো. তারেক হাসান বলেন, হামলায় ইউপি চেয়ারম্যানের অবস্থা গুরুতর। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে তার বাম পায়ের হাড় বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এছাড়াও বিচ্ছিন্ন হয়েছে তার ডান পায়ের রগ। গুরুতর জখম হয়েছে তার ডান হাত। তাই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বেতাগী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানের ওপর হামলার খবর শুনেই আমারা ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছি। কারা তার ওপর হামলা চালিয়েছে তা এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া না গেলেও নির্বাচন কেন্দ্রিক প্রতিপক্ষরা এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে আমাদের ধারণা। তাই সন্দেহভাজন আসামিদের গ্রেফতারের জন্য আমরা অভিযান শুরু করেছি।