বরিশাল বিভাগে করোনায় ১৮২ জনের মৃত্যু : আক্রান্ত সাড়ে ৯ হাজার

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস বরিশাল বিভাগে আরও একজনের প্রাণ কেড়েছে। তিনি হলেন বরগুনা সদর উপজেলার আমলকি তলার পরিখালী গ্রামের ৮০ ঊর্ধ্ব বয়সি এক বৃদ্ধ। বরগুনা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।

এ নিয়ে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃতর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮২ জনে। আর আক্রান্ত হওয়া মোট রোগীর সংখ্যা ৯ হাজার ৪৯৮ জন। যাদের মধ্যে সুস্থতা লাভ করেছেন ৮ হাজার ৬৯২ জন। হাসপাতালসহ বিভিন্ন পর্যায়ে এখনো চিকিৎসাধীন রয়েছেন এক হাজার ৪৯১ জন।

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, ‘বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার পূর্বে থেকে ২৪ ঘন্টায় বরিশাল বিভাগে নতুন করে ২২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়েছে। যাদের মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মাত্র ২ জন রোগী। তাছাড়া ইতিপূর্বে আক্রান্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৮ জন। একই সময় বরগুনায় একজন করোনায় মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

বরিশাল বিভাগে নতুন করে আক্রান্ত সনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল জেলায় ১৪ জন, ভোলায় ৪ জন, পিরোজপুরে একজন, বরগুনায় ২ জন এবং ঝালকাঠির একজন। এদিন পটুয়াখালী জেলায় নতুন করে কারোর শরীরে করোনা সনাক্ত হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেক কুমার দাস জানিয়েছেন, গত ১০ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যার দিক থেকে বরিশাল জেলা এগিয়ে আছে। আবার জেলার মধ্যে এ দিক থেকে এগিয়ে আছে বরিশাল মহানগরী এলাকা। বরিশাল জেলায় এখন পর্যন্ত ৪ হাজার ৪২০৯ জন আক্রান্ত এবং ৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময় এ জেলায় করোনা থেকে মুক্তি লাভ করেছেন ৩ হাজার ৭৮৪ জন।

এছাড়া পটুয়াখালী জেলায় মোট আক্রান্ত এক হাজার ৫৬৭ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থতা লাভ করেছেন এক হাজার ৪৬৭ জন। ভোলা জেলায় মোট আক্রান্ত ৮৬৪ জনের মধ্যে সুস্থতা লাভ করেছেন ৭৬১ জন। আর মৃত্যুবরণ করেছেন ৮ জন।

পিরোজপুর জেলায় মোট আক্রান্ত এক হাজার ১২২ জনের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের। এছাড়া আক্রান্তদের মধ্যে থেকে সুস্থতা লাভ করেছেন এক হাজার ৬১ জন। বরগুনা জেলায় মোট আক্রান্ত ৯৭৭ জনের মধ্যে ৪১ জনের মৃত্যু ও সুস্থ হয়েছেন ৯১৭ জন।

এছাড়া ঝালকাঠি জেলায় এ পর্যন্ত গত আট মাসে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সনাক্ত হয়েছে মোট ৭৫৯ জন। যাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭০২ জন। এছাড়া মৃত্যু বরণ করেছেন ১৬ জন।