রবিবার ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে কখন কোন নৌযান

করোনাভাইরাসের কারণে প্রায় দুই মাস বন্ধ খাকার পর রোববার থেকে দেশের ঢাকা-বরিশাল নৌ রুটে লঞ্চ ও স্টিমার চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে।ঢাকার সদরঘাট এলাকায় দীর্ঘদিন অলস পড়ে থাকা লঞ্চ ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) স্টিমারগুলো পরিষ্কার করে চলাচলের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

 

রোববার সকাল ৮টায় গ্রীন লাইন ওয়াটার সার্ভিস ঢাকার লালকুঠি এলাকা থেকে সবার আগে বরিশালের উদ্দেশে রওনা হবে।একইদিন সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে বরিশাল যাবে এডভেঞ্চার ০১ , অপরদিকে বরিশাল থেকে ঢাকা যাবে এডভেঞ্চার -০৯। একইদিনে বরিশাল থেকে ঢাকা যাবে সুন্দরবন -১১।এছাড়া এই রুটে চলমান অন্যান্য লঞ্চগুলো রবিবার থেকে তাদের সার্ভিস শুরু করবে বলে জানা গেছে।

 

বিকাল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী ও পিরোজপুরের উদ্দেশে লঞ্চগুলো ঢাকা ত্যাগ করবে। এছাড়া সন্ধ্যা ৬টায় সরকারি স্টিমার মধূমতি বাদামতলী ঘাট থেকে বরিশাল, মোড়লগঞ্জ ও খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে।

বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ন পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিন জানান, সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লঞ্চ মালিক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রাণালয় এবং বিআইডব্লিউটিএ যৌথভাবে লঞ্চ ও স্টিমার চালু করবে।

এছাড়া ঢাকা, বরিশাল, চাঁদপুর, শরীয়তপুর, মুলাদী, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, ভান্ডারিয়া, খুলনা ও মোড়লগঞ্জসহ ৩৪টি নৌরুটে নিয়মিত যাত্রী সেবায় নৌযান চলাচল করবে বলেও জানান তিনি।

এমভি পারাবত লঞ্চ কোম্পানির মালিক শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, করোনা মোকাবিলা ও এর বিন্তার রোধে যাত্রীদের দূরত্ব বজায় রাখার লক্ষ্যে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অর্ধেক যাত্রী বহন করার জন্য লঞ্চের মাস্টার ও স্টাফদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তবে ভাড়া বৃদ্ধির বিষয়ে এখনও লঞ্চ মালিক ও নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে কোনো সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি বলেও জানান তিনি।