কয়রায় বেড়িবাঁধ ভেঙে তছনছ, ৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে খুলনার কয়রা উপজেলার বেড়িবাঁধ ভেঙে তছনছ হয়ে গেছে। ৮টি এলাকায় বাঁধ ভেঙে ৪টি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়েছে। রাত সোয়া ৯টার দিকে খুলনায় আঘাত হানা শুরু করে। খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন জানিয়েছেন, আম্পানের প্রভাবে কয়রা উপজেলায় বাঁধ ভাঙাসহ ক্ষতির মাত্রা বেশি। তবে রাত সাড়ে ১০ টা পর্যন্ত খুলনায় কোনও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
কয়রা উপজেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার মো. জাফর রানা বলেন, আম্পানের প্রভাবে কয়রায় বেড়িবাঁধে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। পানির চাপে গোলখালী, আংটিহারা, হরিহরপুর, গাজীপাড়া, গাববুনিয়া, চিংড়িখোলা, পপনা, দশালিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় ভেঙ্গে গেছে। এর ফলে উত্তর বেদকাশি, দক্ষিণ বেদকাশি ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে গেছে। আর কয়রা সদর ও মহারাজপুর ইউনিয়ন প্লাবিত হওয়ার পথে রয়েছে। কয়রার ৬৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
খুলনা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিরুল আজাদ জানান, বুধবার রাত সোয়া ৯টার দিকে আম্পান খুলনায় আঘাত শুরু করে। তিনি বলেন, আম্পানের অগ্রভাগ সন্ধ্যায় খুলনায় আছড়ে পড়েছিল। আম্পানের প্রভাবে খুলনায় ৮০ থেকে ৯০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত খুলনায় ৭৩ মি. মি. বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।