ঘূর্ণিঝড় আম্পান: পটুয়াখালীতে ২৫ গ্রাম প্লাবিত

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে সাগর ও নদীর পানি ৩ ফুট বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে কলাপাড়ার এক ইউনিয়নের ১৭টি গ্রাম ও রাঙ্গাবালীর ৮টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তবে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ পর্যন্ত ৩ লাখ মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে বলে জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আম্পানের কারণে পায়রা সমুদ্র বন্দর ও পটুয়াখালী জেলায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত জারি করেছে আবহাওয়া বিভাগ।

রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.মাসফাকুর রহমান জানান, মধ্য চালিতাবুনিয়া, বিবির হাওলা, চরলতা, গোলবুনিয়া, চর আন্ডা, খালগোড়া, গোঙ্গীপাড়া, চর কাশেম প্লাবিত হয়েছে। এতে প্রায় ৭৪০টি বাড়ি ঘর প্লাবিত হয়েছে। বিচ্ছিন্ন চরের মানুষদের সাইক্লোন শেল্টারে নিয়ে আসা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রের মানুষের খাওয়ার জন্য শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া যারা রোজা আছেন তাদের ইফতারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

লালুয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড মেম্বার মো. রবিউল ইসলাম জানান, কলাপাড়ার লালুয়া ইউনিয়নের ৪টি ওয়ার্ডের ১৭টি গ্রাম প্লাবিত। নদীতে জোয়ারের পানি স্বাভাবিক এর চেয়ে ৪ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে তারা সাইক্লোন শেল্টারে অবস্থান করছেন। পানি বন্দি ওয়ার্ডগুলো হলো ইউনিয়নের ৪,৫,৬ ও ৮।